প্রথমে β-D গ্লুকোজের অসংখ্য অণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে সেলুলোজ গঠন করে। এরপর ১০০০-৩০০০ সেলুলোজ একসাথে মিলে একটা চেইন বা শৃঙ্খল গঠন করে। আর সেলুলোজের এমন চেইন প্রায় ১০০টা একসাথে হলে ক্রিস্টালাইন মাইসেলি গঠিত হয়। এই মাইসেলি থেকেই ক্রমে কোষপ্রাচীরের তন্তু গঠিত হয়। প্রহমে ২০টা মতো মাইসেলি মিলে মাইক্রোফাইব্রিল এবং প্রায় ২৫০টি মাইক্রোফাইব্রিল মিলে ম্যাক্রোফাইব্রিল […]
স্তর সংখ্যার ভিত্তিতে মোটাদাগে আবরণ চার ধরণেরঃ ১. একস্তরীঃ এক্ষেত্রে শুধু মেমব্রেনের স্তর থাকে (প্রাণীকোষ) ২. দ্বিস্তরীঃ এখানে মেমব্রেনের স্তর আর তার উপর কোষপ্রাচীর থাকে (উদ্ভিদকোষ) ৩. ত্রিস্তরীঃ এক্ষেত্রে, মেমরেন, কোষপ্রাচীর আর ক্যাপসুল থাকে (গ্রাম পজেটিভ ব্যাকটেরিয়া) ৪. চারস্তরীঃ এটা অনেকটা বার্গারের মতো। প্রথমে মেমব্রেন থাকে, এরপর কোষপ্রাচীর আর ক্যাপসুল থাকে, তারপর আবার মেমব্রেন থাকে।
ক্রমাগত তাপমাত্রার পরিবর্তন, জলবায়ুর গ্যাড়াকল এবং আমাদের অসচেতনরার কারণে কোরাল রিফগুলো মরে যাচ্ছে, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট ও রেইন ফরেস্টগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এবং শেষ যাচ্ছে ওরাংওটাং। আজ বিলুপ্তির মুখ দাঁড়িয়ে আছে হাওয়াইয়ান কাক, পঞ্চাশ ধরনের হাঙর, টুঘি ব্যাঙ, সোনালি ব্যাঙ ইত্যাদি জীব। ক্ষতির বাইরে নেই গাছে চড়া ক্যাঙারু, বিশেষ প্রজাতির কিছু হরিণ, কিলার হোয়েল, ব্লুফিন টুনা […]
কোনো মনোস্যাক্রাইডের অন্তর্বর্তী (Intermediate) কোনো C এর H বা OH একই কার্বনে অবস্থান করে শুধুমাত্র Rotation পরিবর্তনের মাধ্যমে যে গাঠনিক পরিবর্তন সম্পন্ন হয়, তাকে Epimeric Change বলে। যে এনজাইমের কার্যকারিতায় এই চেঞ্জ বা পরিবর্তন ঘটে, তাকে এপিমারেজ (Epimerase) বলে। আর এই পরিবর্তনের ফলে মনোস্যাকারাইডের যেসকল ফর্ম গঠিত হয়, তাদেরকে পরস্পরের এপিমার বলে। অন্যদিকে একটি মনোস্যাকারাইডের […]
ক্রিস্টোফার নোলান এর বিখ্যাত হলিউড সিনেমা “Inception” এ তিনি “Lucid Dreaming” এর ধারণা দেন। যদি এমন হয় যে, যিনি স্বপ্ন দেখছেন তিনি ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন, তাহলে কেমন হবে? সিনেমা তে তো সব ই সম্ভব কিন্তু বাস্তবে এটা কতটুকু সম্ভব? হ্যাঁ, এটা সম্ভব। শুনে অতি-প্রাকৃতিক মনে হলেও কিছু স্বপ্নদ্রষ্টা এটা স্বাভাবিক ভাবেই করতে […]
মৌমাছি-র লিঙ্গ নির্ধারিত হয় হ্যাপ্লোডিপ্লয়ডি পদ্ধতিতে। হ্যাপ্লোডিপ্লয়েডি এমন একটি লিঙ্গ-নির্ধারণ ব্যবস্থা যেখানে পুরুষ অনিষিক্ত ডিম বা ডিম্বানু থেকে বিকাশ লাভ করে এবং হ্যাপ্লয়েড হয় এবং স্ত্রী নিষিক্ত ডিম বা ডিম্বানু থেকে বিকাশ করে এবং ডিপ্লয়েড হয়। হ্যাপ্লোডিপ্লয়েডিকে কখনও কখনও আরহেনোটোকি বলা হয়। আরো জানতে পড়ুন বিজ্ঞান ব্লগে প্রকাশিত লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি প্রবন্ধটি।
ডিএনএ ইউরাসিলের পরিবর্তে থাইমিন থাকে, কারণ থাইমিনের ফটোকেমিক্যাল মিউটেশনের প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি যা জেনেটিক বার্তাকে আরও স্থিতিশীল করে তোলে। জীবনের কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য ধরে রাখার জন্য এটি প্রয়োজনীয়। আরএনএ অবশ্য ইউরাসিল ব্যবহার করে – কারণ অস্থিরতা আরএনএর জন্য তেমন কোন বড় সমস্যা নয় যেহেতু এম-আরএনএ তুলনামূলকভাবে স্বল্পস্থায়ী। এর কোনো সম্ভাব্য ত্রুটি কোনো […]
দারুণ প্রশ্ন। ডিএনএ অম্লীয় এবং ক্ষার উভয় উপাদান দিয়ে তৈরি। ডিএনএর অম্লীয় উপাদান হল এর ফসফেট গ্রুপ, এবং ডিএনএর ক্ষারীয় উপাদান হল এর নাইট্রোজেনাস বেস। তাহলে, কেন DNA কে নিউক্লিক “অ্যাসিড” বলা হয় যখন এর একটি ক্ষারীয় উপাদানও থাকে? আমরা জানি, এসিড বলতে সচরাচর হাইড্রোজেন-দাতা ও ক্ষার বলতে হাইড্রোজেন-গ্রহীতা বোঝায়। এখন, ডিএনএ গঠনের কিছু মূল […]
অ্যান্টিবডি (Antibody) হলো একটি প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন যা দেহের ইমিউন সিস্টেম (Immune system) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। একে ইমিউনোগ্লোব্ুলিন ও বলা হয়,যেটি মূলত Y আকৃতির একটি প্রোটিন। সোজা ভাষায় বললে অ্যান্টিবডি এর কাজ আমাদের দেহের প্রতিরক্ষা। তবে অ্যান্টিবডি এর কাজ জানতে হলে জানতে হবে অ্যান্টিজেন (Antigen) (Ag) কি! অ্যান্টিজেন মূলত একটি আনবিক গঠন কাঠামো যা জীবাণু বা […]
যে ভাইরাস সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার উপর আক্রমণ চালায়ে তাদেরকে ধ্বংস করা হয়, সে ভাইরাসকে ব্যাকটেরিওফাজ বলা হয়। অনেকে একে সংক্ষেপে “ফাজ” বলে। ব্যাকটেরিওফাজের দেহ মূলত প্রোটিন এবং নিউক্লিক এসিড সমন্বয়ে গঠিত। এরা শুধু ব্যাকটেরিয়া নয়, বিভিন্ন প্রাণীদেরকেও আক্রমণ করতে পারে। ব্যাকটেরিওফাজ বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে। যেমনঃ টি-টু ব্যাকটেরিওফাজ, টি-ফোর ব্যাকটেরিওফাজ, ল্যাম্বডা ফাজ, পি-ওয়ান ফাজ, এম-থার্টিন ফাজ […]