হোমো স্যাপিয়েন্স এর শাব্দিক অর্থ হলো একজন বিচক্ষণ ব্যক্তি। এটি মূলত ল্যাটিন শব্দ। আসলে একমাত্র মানুষই প্রকৃত বিচক্ষণতার অধিকারী। মানুষ যেভাবে নিজেকে অভিযোজিত করেছে, যেক্ষেত্রে বিচক্ষণতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। একারণে আধুনিক মানুষদের বৈজ্ঞানিক নাম হিসেবে “Homo sapiens” কে বেছে নেওয়া হয়েছে!
গ্রীন হাউজ গ্যাসের প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য হলো তা ইনফ্রারেড টাইপ রেডিয়েশন অ্যাবসর্ব করতে সক্ষম। অর্থাৎ সূর্যালোক থেকে বিকিরিত তাপ শক্তিকে শোষণ করা ও তা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দেওয়া। এক্ষেত্র যে গ্যাস যত ইফিসিয়েন্সির সাথে সূর্যালোক থেকে শোষিত এই তাপশক্তি পৃথিবীতে রি-ইমিট করতে পারে সেটি ততবেশি ক্ষতিকর। (এখানে ক্ষতিকর তখনই বলা হয় যখন এই গ্যাসগুলো দীর্ঘদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে […]
মৌলিক বল চার প্রকার (মহাকর্ষ, তড়িৎ চুম্বকীয়, দুর্বল ও সবল নিউক্লিয়)। প্রোটন ও ইলেকট্রন এর আকর্ষণের জন্য মূলত তড়িৎ চৌম্বক বল বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফোর্স বা লোরেনজ ফোর্স কাজ করে। মূলত এই ধরনের বল বিপরীত চার্জবিশিষ্ট কণিকার মধ্যে আকর্ষণের সৃষ্টি করে (অর্থাৎ আপনি ভাবতেই পারেন সমধর্মী চার্জ একে অপরকে বিকর্ষণ করে মূলত এই বলের কারণে)। ইলেকট্রন […]
পার্থক্য হলো এদের মধ্যকার রাসায়নিক গঠনে। যদিও দুইটিই হেটেরোসাইক্লিক অ্যারোমেটিক পদার্থ, কিন্তু পিউরিনে দুইটি চক্রাকার কার্বন-বলয় থাকে, যেখানে পাইরিমিডিনে থাকে একটি কার্বন-বলয়।
ঝিঁঝি পোকা নিশাচর প্রাণী। তারা দিনের বেলা ঘুমায় এবং রাতে জেগে খাবারের সন্ধানে এবং সঙ্গীর সন্ধান করে। আপনি যে শব্দগুলি শুনতে পান তা হল পুরুষ ঝিঁঝি পোকার গাওয়া সঙ্গমের জন্য রাজী করানোর আগে courtship বা পূর্বরাগ। বেশিরভাগ স্ত্রী-ঝিঁঝি পোকা দিনের বেলায়ও ঘুমিয়ে থাকে, তাই দিনের বেলায় এদের কিচিরমিচির ফ্রিকোয়েন্সি কম থাকে।
বেশ কয়েকটা বিষয় এখানে কাজ করে। প্রথমত, এখানে পোষক উদ্ভিদ ও ব্যাক্টেরিয়ার মধ্যে একটা সম্পর্ক রয়েছে। নডুলেশনের আগে নাইট্রোজেন ফিক্সেশনকারী ব্যক্টেরিয়ার সাথে লিগিউম উদ্ভিদের কিছু রাসায়নিক সংকেত বিনিময় হয়। এগুলোকে nod-ফ্যাক্টর বলা হয়। এটার মাধ্যমে পোষক উদ্ভিদ ও সমজীবি ব্যক্টেরিয়া দুইটির মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব কি না সেটা ঠিক হয়। কিছু কিছু উদ্ভিদ জেনারেলিস্ট, […]
বায়োইনফরমেটিকস কি পৃথিবীতে একটা সময় পর পর উৎপাদন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসে। সভ্যতা কম খরচে, পরিবেশের কম ক্ষতি করে আরো বেশি উৎপাদনের পদ্ধতি খুঁজে বের করে প্রতিনিয়ত। এই মুহূর্তে পৃথিবীতে এইরকম একটা পরিবর্তন চলছে। গত শতাব্দী ছিলো পদার্থ আর রসায়নবিজ্ঞানের। এখন পৃথিবীতে জয়জয়কার জৈবপ্রযুক্তির। জৈবপ্রযুক্তির রাজপ্রাসাদের সদর দরজা হলো মলিকুলার বায়োলজি বা অনুপ্রাণবিজ্ঞান। অণুপ্রাণবিজ্ঞান কাজ করে […]
পিউরিন ও পাইরিমিডিন উভয়ই নাইট্রোজেন বেস। তবে পিউরিন দুইরিং বিশিষ্ট ও পাইরিমিডিন একজন বিশিষ্ট ক্ষার। ডিএনএ তে মূলত এই পিউরিন-পাইরিমিডিন হাইড্রোজেন বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে পিউরিন হিসেবে থাকে অ্যাডেনিন ও গুয়ানিন। অন্যদিকে পাইরিমিডিন হিসেবে থাকে থায়ামিন ও সাইটোসিন। (তবে আরএনএ তে পাইরিমিডিন ক্ষার হিসাবে থাইমিন এর বদলে ইউরাসিল থাকে)।
বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞানের একটি প্রায়োগিক শাখা।কোষবিদ্যা,টিস্যুবিদ্যা,চিকিৎসাবিদ্যা,গণিত,কম্পিউটার বিজ্ঞান এর সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠিত। বায়োইনফরমেটিক্স এর মাধ্যমে জীবের যাবতীয় তথ্য তথা জিনোম সম্পর্কে জানা যায়।ফলে মিউটেশন জনিত কোন রোগ থাকলে তা নির্ণয় করা যায়।ক্যান্সার থাকলে তা জানা যায়,ভাইরাস এর ক্রমাগত বিভাজন বা ভিন্ন জেনারেশন সম্পর্কে জানা যায়। আমরা এটাকে ব্যবহার করে বিবর্তন এর প্রমাণ দিতে পারি। বায়োইনফরমেটিক্স আমাদের চিকিৎসাবিজ্ঞান,অণুজীববিজ্ঞান ও […]
এনজাইম কি এক কথায় বলা যায় এনজাইম হল জৈব প্রভাবক বা উৎসেচক। এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলার কারণ হচ্ছে এরা আমাদের দেহের জৈব রাসায়নিক ক্রিয়া বিক্রিয়া গুলোকে প্রভাবিত করে। শুধুমাত্র রাইবোজাইম ছাড়া অধিকাংশ এনজাইমই উচ্চ আনবিক ভর বিশিষ্ট প্রোটিন। প্রভাবক বলতে সেসব রাসায়নিক যৌগ কে বোঝাচ্ছি যারা কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি বাড়াতে কিংবা কমাতে পারে। আমাদের জানা দরকার যে […]